
স্টাফ রিপোর্টার ঃ রাজবাড়ী সদর উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের বেথুলিয়া মুন্সি পারা এলাকায় বিদ্যুতের তৈরি শিয়াল ধরার ফাঁদে মফিজুল ইসলাম (৩৫)নামে এক যুবক মারা গেছে। তার পিতার নাম আমান উল্লাহ মিয়া ।
তথ্য সূত্রে জানা যায় – মফিজুল দীর্ঘদিন তার পরিবারের সাথে রাগ করে বেড়াডাঙ্গা তার শশুর বাড়ী থাকতো । কিন্তু মাঝে মাঝে সে তার গ্রামের বাড়ীতে তার মাছের পুকুর দেখতে যেতো। ঘটনার দিন রাতে সে তার ভাবীর কাছে খাবার চেয়ে পুকুর দেখাশোনার জন্য যায় , এদিকে মফিজের বড় ভাইয়ের মুরগির খামারে বিদ্যুতের তৈরী শিয়াল ধরার ফাদ ্পাতা ছিলো,মফিজ দীর্ঘদিন বাড়ীতে না থাকার কারনে তা জান্তো না । তাই আকস্মিক সে শিয়াল ধরার ফাদে আটকে বিদ্যুৎ স্পর্শে সেখানেই মারা যায়। পরদিন সকালে স্থানীয়রা মফিজের লাশ দেখতে পেয়ে সকলকে খবর দেয় ।
এ ব্যাপারে তার বড় ভাই মুক্তার জানান– রবিবার রাত ১০ টার দিকে মফিজুল আমার স্ত্রীকে বলে ভাবী আমার রাতের খাবার শোবার ঘরে দিয়ে রাখবেন আমি পুকুর এলাকা দেখে এসে ঘুমানোর আগে খেয়ে নিবো। মফিজুল দীর্ঘদিন যাবৎ মাছ চাষ করে আসছিল। মাঝে মধ্যেই পাহারা দিতে পুকুর পারে যেত। এরপর সোমবার ভোরে ফজরের নামাজ পরতে যাওয়ার সময় তার মরদেহ পরে থাকতে দেখি।
রামকান্তপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হাফিজুল ইসলাম জানান, মফিজুলের বড় ভাই মুক্তার হোসেন তার মুরগির খামার সুরক্ষিত রাখতে চারপাশে বৈদ্যুতিক তার দ্বারা শিয়াল ধরার ফাঁদ নির্মান করেছে। ধারনা করা যাচ্ছে রবিবার রাতে ওই খামারের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বিদ্যুৎস্পষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্য হয়।
